তাপপ্রবাহ মানে শুধু অস্বস্তি বোধ করা নয়। বরং দীর্ঘ সময় ধরে চরম তাপমাত্রার সংস্পর্শে থাকলে ডিহাইড্রেশন, হিট এক্সহশন, মাসল ক্রাম্পস, জ্ঞান হারানো এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোক হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন, গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এই গরমে প্রয়োজনীয় পানীয় ও খাবার খেতে হবে সঠিকভাবে। হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে কী খেতে পারেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক-
ঘোল এবং লাচ্ছির মতো জনপ্রিয় পানীয়গুলো এই গরমে আপনার খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন। তবে তা যেন বাড়িতে তৈরি হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাস্তার পাশের খোলা দোকান থেকে সব ধরনের পানীয় বা শরবত খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ সেগুলো অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে।
সবচেয়ে বেশি পরিচিত প্রাকৃতিক শীতলকারকের মধ্যে একটি হলো ডাবের পানি, যা ইলেক্ট্রোলাইট, খনিজ এবং শরীরে পানির জোগান দেয়। এই গরমে আপনি নিশ্চিন্তে ডাবের পানিতে চুমুক দিতে পারেন। এটি আপনাকে সতেজ ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।
সাধারণ লেবুর শরবত তাপপ্রবাহের অন্যতম সেরা প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে এক চিমটি লবণ দিয়ে ঘরে তৈরি লেবুর শরবত পান করতে পারেন। এতে বেশি উপকার পাবেন। তবে খুব বেশি চিনি ব্যবহার না করাই ভালো।
গ্রীষ্মের অন্যতম আকর্ষণীয় ও সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। এটি যেমন সুমিষ্ট তেমনই পুষ্টিকর। রসালো ফল তরমুজ আপনার শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে কাজ করতে পারে। এই গরমে পর্যাপ্ত তরমুজ খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটি হিটস্ট্রোকসহ নানা শারীরিক সমস্যা দূরে রাখতে সাহায্য করবে।
শসা এমন একটি সবজি যা কাঁচা খাওয়া যায় আবার সারাবছরই পাওয়া যায়। সালাদ রায়তা বা শুধু লবণ দিয়েই খাওয়া হোক না কেন, গ্রীষ্মকালে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য শসা অন্যতম সেরা একটি খাবার। আপনি প্রতিদিনের, এমনকী প্রতিবেলার খাবারের তালিকায় শসা রাখতে পারেন। এতে সুস্থতা ও সতেজতা মিলবে সহজেই।
