July 9, 2026
Screenshot 2026-07-09 143623

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন ও দেশজুড়ে সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমবেতদের উদ্দেশে ভাষণে তিনি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশ রক্ষায় জনঅংশগ্রহণ বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বায়ুর গুণমান উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশগত সচেতনতা অপরিহার্য।

এই আয়োজনে সরকারি সংস্থা, পরিবেশবাদী সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকারীরা বনায়ন, নবায়নযোগ্য শক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সংরক্ষণ এবং টেকসই জীবনযাত্রার ওপর বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরছেন। প্রদর্শনী, সেমিনার এবং সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে দর্শনার্থীরা পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা এবং বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।

উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী নাগরিকদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ এবং দৈনন্দিন জীবনে পরিবেশ-বান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনাঞ্চল সম্প্রসারণ ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়—এমন নীতিমালা বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাতীয় পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষরোপণ প্রদর্শনীটি একটি সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, উদ্ভাবন ও সহযোগিতার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, জনসম্পৃক্ততা এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বৃদ্ধির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত স্থায়িত্ব অর্জনে দেশের বৃহত্তর অঙ্গীকারকেও এই আয়োজনটি আরও সুদৃঢ় করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *