পটুয়াখালীতে বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ইজিবাইকের চালক কাইউম প্যাদা ( ৫০), ইজিবাইকের যাত্রী জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩২), শিল্পী রানী (৪০) ও তার মেয়ে বিথী রানী(২২)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে পটুয়াখালী শহর থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। অটোরিকশা দলুগাজীর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা তালতলী থেকে ঢাকাগামী ইমরান পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের চাপায় অটোরিকশা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। অটোরিকশায় থাকা চার যাত্রী গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তারা প্রাণ হারান।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনার শিকার বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যাওয়ায় কমপক্ষে ৭ যাত্রী আহত হন।
আহতরা হলেন- লিলি বেগম (৪০) ও শামসুন্নাহার (৬০)। তাদের পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা পটুয়াখালী সদর ও কলাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, পটুয়াখালীতে চিকিৎসকের কাছে মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলেন শিল্পী রানি। তাদের বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইজিবাইকের অপর যাত্রী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও অটোরিকশা সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
