রোববার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা জারনাজ রহমানের জন্মদিন।
আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন তিনি। ১৯৯৫ সালের ২৫ অক্টোবর ঢাকার হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন জাইমা রহমান। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনি। তার নানা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ছিলেন নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ও সাবেক মন্ত্রী।
রাজনৈতিক ঐতিহ্যসমৃদ্ধ পরিবারে বেড়ে উঠলেও জাইমা রহমান আইন ও জনসেবার অঙ্গনে নিজের পেশাগত পথ বেছে নিয়েছেন। যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগে তিনি ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। ২০০৮ সালে পরিবারের সঙ্গে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর মা-বাবার সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরেন।
জাইমা রহমান যুক্তরাজ্যের কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠান ইনার টেম্পল থেকে ব্যারিস্টারি করার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন তিনি।
পেশাগত জীবনে জাইমা রহমান বাংলাদেশের আইন অঙ্গনেও কাজ করেছেন। সাংবিধানিক আইন, করপোরেট ও বাণিজ্যিক বিষয় এবং করসংক্রান্ত আইনি বিষয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান জাইমা রহমান। ওই কার্যালয়ের নির্বাহী দপ্তরের অধীনে আন্তর্জাতিক আইনি বিষয়ে কাজ করছেন তিনি। তার নিয়োগের বিষয়টি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ের ওয়েবসাইটেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ৭৩তম জাতীয় প্রার্থনা প্রাতরাশ অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন জাইমা রহমান। পেশাগত কাজের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন জাইমা রহমান। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রসারে কাজ করা বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা সুরভীর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
