বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ড মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে তাঁর কর্মকাণ্ডকে ‘সম্পূর্ণ অবৈধ’ ও ‘অসাংবিধানিক’ বলে অভিহিত করেছেন। সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি দাবি করেন যে, ইউনূসের নেতৃত্বাধীন দেড় বছরের শাসনামলে তাঁকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, সংবিধান লঙ্ঘন করে ইউনূস অন্তত ১৪ থেকে ১৫ বার বিদেশ সফর করলেও একবারও রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে তা জানাননি। এমনকি সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের অনেকগুলোই অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং তা রাষ্ট্রপতির পরামর্শ ছাড়াই পাস করা হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি আরও প্রকাশ করেন যে, ইউনূস প্রশাসন তাঁকে পদ থেকে সরানোর জন্য একাধিক ‘গোপন চক্রান্ত’ করেছিল এবং এমনকি তাঁর বিদেশ সফরেও বাধা দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জানান, সেই কঠিন সময়ে সেনাবাহিনী এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর দেশে নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্যগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
