শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ সব উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। সরকার এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করবে।শুক্রবার সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, মধ্যনগর ও ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন হাওরের বাঁধ নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, হাওরাঞ্চল দেশের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম হলে তা কঠোরভাবে দেখা হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক কর্মী ও স্থানীয় মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, নদী ও খাল খননে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে এবং ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে কাজ করা হবে। জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের ১২ উপজেলায় এবার ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭১০টি প্রকল্পে ৬০২ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার হচ্ছে। কাজের অগ্রগতি প্রায় ৭৮ শতাংশ বলে দাবি করা হয়েছে। তবে কৃষকদের অভিযোগ, মাঠপর্যায়ে কাজ অর্ধেকও শেষ হয়নি এবং নির্ধারিত সময়ে শেষ না হলে ফসল ঝুঁকিতে পড়বে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ফসলহানির পর বাঁধ নির্মাণে নতুন নীতিমালা করা হয়। এখন ঠিকাদারের বদলে স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে গঠিত পিআইসির মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
