February 16, 2026
Modi will not attend Tarek Rahman's oath-taking, Om Birla will represent India

নয়াদিল্লি ও ঢাকা: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততা ও পূর্বনির্ধারিত কিছু কর্মসূচির কারণে মোদীর পরিবর্তে ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তাঁর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, স্পিকারের এই অংশগ্রহণ দুই প্রতিবেশী দেশের গভীর বন্ধুত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের অবিচল অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই দশক পর পুনরায় ক্ষমতায় ফিরছে। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে ২০৯টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। অন্যদিকে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পায়নি শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের এই অভাবনীয় সাফল্যের পর প্রধানমন্ত্রী মোদী ফোনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারতের নিরন্তর সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তারেক রহমান তাঁর পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ‘জাতীয় স্বার্থ’ হবে মূল ভিত্তি। তিনি ভারত, চীন এবং পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চান এবং কোনো দেশকেই ‘মাস্টার’ বা প্রভু হিসেবে বিবেচনা করেন না। অন্যদিকে, বিএনপি ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর শুভেচ্ছার জবাবে দলটি জানিয়েছে যে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা ভারতের সঙ্গে বহুমুখী সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *