দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হতেই বাংলাদেশে উৎসবের মেজাজ। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি, আর দেশের শাসনভার সামলাবেন তারেক রহমান। সোমবার বা মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। এই মুহূর্তটি শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতির জন্যও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লি এই পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত তাল মেলাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর অভিনন্দনের পর এখন সবার নজর শপথ অনুষ্ঠানের দিকে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বলে জোরালো খবর পাওয়া যাচ্ছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সমবেদনা বার্তা বা জয়শঙ্করের সম্ভাব্য সফর—সবই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রী আগামী দিনে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে। ভারতের এই সক্রিয় পদক্ষেপ মূলত সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে হারানো বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই পরিচালিত।
