দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ রোববার প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে উৎসব আমেজের সৃষ্টি হয়েছে। এই সফর ঘিরে কয়েক দিন ধরেই জেলার চেনা চিত্র বদলে গেছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনাগুলোতে সাজসজ্জা, করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাকে বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
রাষ্ট্রপতি দুই দিনের এই সফরে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে শহরের সেনুয়া পাড়ার পারিবারিক কবরস্থানে নিজের বাবা ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম মির্জা রুহুল আমীন (চোখামিয়া) এবং মা ফাতেমা বেগমের কবর জিয়ারত করবেন রাষ্ট্রপতি। পরে শহরের কালীবাড়ির নিজ বাসভবনে যাবেন তিনি। সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রামের পর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে নাগরিক কমিটি আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
মির্জা ফখরুল সংবর্ধনা শেষে বাসভবনে ফিরে রাষ্ট্রপতির গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করবেন।
সফরের দ্বিতীয় দিনে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় প্রস্তাবিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। পরে নিজ বাসভবনে ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম শেষে সার্কিট হাউসে যাবেন। এরপর হেলিকপ্টারে আবারও ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়ার কথা রয়েছে তার।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতির দুই দিনের সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন বলেন, রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি, যাতায়াতের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
