September 12, 2026
EB 2

মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে ইয়াবা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া ইয়াবা ঠেকাতে কক্সবাজার ও বান্দরবানে ১১টি স্থায়ী তল্লাশিচৌকি স্থাপনের প্রস্তাব করেছে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ।

প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব চেকপোস্টে থাকবে এআই-নির্ভর মুখ শনাক্তকারী ক্যামেরা, সিসিটিভি, গাড়ি ও লাগেজ স্ক্যানার এবং মাদক শনাক্তকারী ডগ স্কোয়াড। চেকপোস্ট পরিচালনায় ৩২১ জন পুলিশ সদস্য চাওয়া হয়েছে। যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো বাবদ সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা।

পুলিশ জানিয়েছে, মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী, সমুদ্রপথ ও সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে ঢোকে। এরপর পাচারকারীরা পাহাড়ি পথ, পুরোনো সড়ক ও বিকল্প রুট ব্যবহার করে মাদক কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যায়।

এ কারণে সীমান্তের পাশাপাশি মাদক পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারের রামু, সদর, উখিয়া ও চকরিয়ার সাতটি এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির চারটি পয়েন্ট। এর মধ্যে কক্সবাজারের ভাঙ্গার মোড়কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *