February 13, 2026
Capture


এজেন্সি: বর্তমানে বিশ্বের ৮ম বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ। প্রতিবছর এদেশে গড়ে ৯–১০ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে প্রধান দুটি ধরন হলো ব্ল্যাক টি ও গ্রিন টি।

ব্ল্যাক টি প্রস্তুত হয় পূর্ণ ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায়। এতে চায়ের রং গাঢ় হয় এবং সুবাস ও স্বাদ তীব্র হয়। অপরদিকে গ্রিন টি-তে ফারমেন্টেশন করা হয় না। পাতাকে বাষ্প বা প্যান-ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত শুকানো হয়। ফলে এর স্বাদ হালকা ও মৃদু থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাক টি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়ায়, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং মানসিক সতেজতা আনে। অন্যদিকে গ্রিন টি ওজন কমাতে সহায়ক, মেটাবলিজম বাড়ায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাদের পরামর্শ, সর্বোচ্চ উপকার পেতে চা অবশ্যই দুধ ও চিনি ছাড়া পান করা উচিত।

ক্যাফেইনের মাত্রা 

গ্রিন টিতে ব্ল্যাক টি’র চেয়ে কম ক্যাফেইন রয়েছে। ক্যাফেইনের উপাদানগুলো উদ্ভিদ, পদ্ধতি ও প্রস্তুত করার ওপর নির্ভর করে। এক কাপ কফির তুলনায় এক কাপ গ্রিন টি’তে এক চতুর্থাংশ ক্যাফেইন থাকে। আর এক কাপ ব্ল্যাক টি’তে থাকে এক তৃতীয়াংশ ক্যাফেইন।

পলিফেনল ছাড়া এই দুই চায়ের উপকারিতা প্রায় একই। যারা ক্যাফেইন বাড়াতে চাচ্ছেন তাদের জন্য ব্ল্যাক টি ভালো। আপনি যদি ক্যাফেইন গ্রহণের ক্ষেত্রে সংযমী হতে চান হন, তাহলে গ্রিন টি বেছে নেয়া উচিত। কারণ এতে ব্ল্যাক টি’র তুলনায় কম ক্যাফেইন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *