আগামীকাল শনিবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হবে।কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নগরবাসীকে নির্ধারিত রাস্তা অনুসরণ করে প্রবেশ ও বের হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নগরবাসীকে পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে হবে। এর বাইরে অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়া যাবে না। আর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রমনা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্বর বা চানখারপুল দিয়ে বেরিয়ে যেতে হবে। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে এই রুট সবাইকে অনুসরণ করতে হবে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, অমর একুশে ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠান ঘিরে কোনো নিরাপত্তাশঙ্কা নেই। তবুও পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বম্ব ডিসপোজাল টিম ও ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারিসহ সাইবার মনিটরিংও থাকবে।কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কোনো ধরনের ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরকদ্রব্য না আনার অনুরোধ জানায় ডিএমপি।
শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে সাতটি রাস্তায় ‘ডাইভারশন’ থাকবে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, তাঁরা সাতটি জায়গায় ডাইভারশন দেবেন। এগুলো হলো শাহবাগ ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, চানখারপুল ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং ও বকশীবাজার ক্রসিং।
