October 12, 2026
EB 1

শিশুরা বড়দের তুলনায় সংক্রমণে বেশি আক্রান্ত হতে পারে। তাই শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভালো রাখতে প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত টিকাদান ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর কোনো একক ওষুধ বা ‘ইমিউনিটি বুস্টার’ নেই। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই এর অন্যতম কার্যকর উপায়।

জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ দেওয়া জরুরি। মায়ের দুধে থাকা পুষ্টি ও রোগপ্রতিরোধী উপাদান শিশুকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।

শিশুর সুস্থতায় সময়মতো সব টিকা দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো টিকা বাদ পড়লে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি বয়স অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যক্রম শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে।

সংক্রমণ এড়াতে শিশুকে সাবান-পানিতে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। বাড়ি ও শিশুর আশপাশের পরিবেশ ধূমপানমুক্ত রাখাও জরুরি। পরোক্ষ ধূমপান শিশুর শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

এ ছাড়া সামান্য জ্বর বা অসুস্থতায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত নয়। অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠার ঝুঁকি বাড়ে। তাই শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে ওষুধের ওপর নির্ভর না করে সঠিক পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *