February 13, 2026
Capture


এজেন্সি: বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণাদায়ক নাম নাসিম হায়দার। তিনি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরছেন। ২০২১ সালে কনটেন্ট ক্রিয়েশন শুরু করে অল্প সময়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় মুখে পরিণত হয়েছেন। বর্তমানে তার ফেইসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও ইন্সটাগ্রামে বিপুল সংখ্যক অনুসারী রয়েছেন।

নাসিমের কনটেন্টে বিনোদনের পাশাপাশি থাকে সামাজিক বার্তা ও শিক্ষামূলক উপাদান, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি নিয়মিত ভ্রমণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, গ্রাম ও আন্তর্জাতিক পর্যটন স্পটের দৃশ্য ধারণ করে ভিডিও প্রকাশ করেন। তার লক্ষ্য— দেশের অপরূপ প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বৈশ্বিক দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা।

নাসিম হায়দার বলেন, “আমি চাই বাংলাদেশকে এমনভাবে তুলে ধরতে, যাতে বিশ্বের মানুষ আমাদের দেশের প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে নতুন দৃষ্টিতে জানতে পারে। আমাদের ঐতিহ্য শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত হোক।”

নাসিম হায়দার ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বরিশাল জেলার উজিরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৮ সালে ওটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিকস্ থেকে ২০২৩ সালে চার বছরের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিরামিকস্ বিভাগ) শেষ করেন। বর্তমানে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নাসিম বলেন, “শিক্ষা আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভবিষ্যতে কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ে আরও গভীর জ্ঞান অর্জন করে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।”

নাসিম হায়দারের যাত্রা শুধু ডিজিটাল দুনিয়ার গল্প নয়; এটি এক তরুণের স্বপ্ন, দেশপ্রেম এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের মিশন।

ভবিষ্যতে তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে চান। তার ভাষায়, “আমি চাই, আমার কাজের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসুক। আমি শুধু বিনোদন নয়, সচেতনতা ও অনুপ্রেরণা দিতে চাই তরুণ প্রজন্মকে।”

নাসিম শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েটর নন, একজন সচেতন সমাজকর্মীও। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউটস, রবিনহুড দ্য অ্যানিম্যাল রেস্কিউয়ার–এর স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটি–র সাথে যুক্ত থেকে নিয়মিত রক্তদান কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চাই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *