ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে শুক্রবার কুড়িগ্রামের সোনাহাট এবং রৌমারী সীমান্ত দিয়ে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যকার বিওপি পর্যায়ে আয়োজিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সীমান্তে বিএসএফের সোনাহাট বিওপি থেকে তিনজন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন কুড়িগ্রামের কচাকাটার আবদুল জলিল ও মো. মোজাফফর হোসেন এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ীর শারমীন বেগম। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আসামের কারাগারে জলিল ও মোজাফফর ৩৩ মাস এবং শারমীন ২৮ মাস সাজা ভোগ করেন। বিজিবির কাছে হস্তান্তরের পর ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের নিজ নিজ স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়। মোজাফফর জানান, এলাকায় নদীতে মাছ ধরার সময় ঘন কুয়াশার কারণে সীমান্তে ভুলবশত ঢুকে পড়লে বিএসএফ তাঁদের আটক করেছিল। একই দিন বিকেলে রৌমারী সীমান্তের চর নতুনবন্দর স্থলবন্দর এলাকা দিয়ে আরও দুই বাংলাদেশি নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। শেরপুরের ওসমান বিন হাসান এবং রৌমারীর আবদুল হাই নামের এই দুজনকে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বাংলাবাজার বিওপি সদস্যরা ভারতীয় সাহাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের কাছ থেকে গ্রহণ করে স্বজনদের হাতে তুলে দেন।
