এজেন্সি: নাটোরের নলডাঙ্গায় টানা বৃষ্টিতে ধামনপাড়া ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় হঠাৎ জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। মুহূর্তেই শত শত বিঘা জমির ধান ও অন্যান্য আবাদ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে উপজেলা কৃষি অফিসারের দ্রুত পদক্ষেপে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হওয়ায় রক্ষা পেয়েছে কৃষকের স্বপ্নের ফসল।
শনিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে কৃষি অফিসার মো. কিশোয়ার হোসেন মাঠপর্যায়ে থেকে কাজ তদারকি করেন। স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে খালে পাইপ বসিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি নামিয়ে দেওয়া হয়। এতে জমিতে থাকা ধানসহ বিভিন্ন আবাদ পানিতে পচে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।
স্থানীয় কৃষক আলামিন বলেন, ‘আমরা কৃষি অফিসারকে জানাতেই তিনি মাঠে চলে আসেন। গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেন। পরের দিনই বিএমডিএ আমাদের পাইপ সরবরাহ করে। এতে জমির পানি নেমে গেছে।’
অন্য কৃষকরাও জানান, যদি কৃষি অফিসার সময়মতো উদ্যোগ না নিতেন, তবে তাদের পুরো মৌসুমের ফসল পানিতে তলিয়ে যেত। এই উদ্যোগে তারা নতুনভাবে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কিশোয়ার হোসেন বলেন, ‘কৃষকদের ধান বাঁচাতে আমরা জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছি। ইউএনও মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করে বিএমডিএ থেকে পাইপ সংগ্রহ করি। পানি নামানো ছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না। কৃষকরা এখন স্বস্তিতে আছেন—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য।’
নলডাঙ্গা উপজেলায় এ বছর ৩ হাজার ৫৫৬ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের এমন দ্রুত উদ্যোগে এলাকাবাসী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
