May 27, 2026
image - 2026-05-27T122545.808

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হলেও, চট্টগ্রামের শতাধিক গ্রামে আজ বুধবারই আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপিত হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও এসব গ্রামের বাসিন্দারা একদিন আগেই ঈদ উদ্‌যাপন করছেন। আজ সকালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পশু কোরবানি দিচ্ছেন এসব এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

মূলত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরিফের অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছেন। বর্তমানে সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও সন্দ্বীপসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় এই দরবারের বিপুলসংখ্যক অনুসারী রয়েছেন।

আজ সকাল আটটার দিকে আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ, বরুমচড়া ও হেটিখাইন এবং বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ও চাম্বলে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরিফের মূল খানাকাহ মাঠেও ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান। এছাড়া চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, দোহাজারীসহ বিভিন্ন গ্রামেও সকালে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং এরপরই শুরু হয় পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা।

এ বিষয়ে মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মোহাম্মদ মছউদুর রহমান জানান, হানাফী মাযহাবের অনুসারী হিসেবে বিগত দুই শ বছরেরও বেশি সময় ধরে তারা হজের পরের দিন ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের নিখুঁত অবস্থান এবং হজের খবর সরাসরি নিশ্চিত হয়েই প্রতি বছর দরবারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *