আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হবে সাংস্কৃতিক উৎসব। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, বাউল, ভাটিয়ালি, জারি ও সারিগানের পাশাপাশি থাকবে পিঠা উৎসব, ঘুড়ি ওড়ানো এবং তরুণদের ব্যান্ড সংগীতের আয়োজন। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এই ঘোষণা করেছেন।
গ্রাম ও শহরের হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও গতিশীল করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সংস্কৃতি বর্তমানে সংকটের মধ্যে রয়েছে। পাহাড় ও সমতলের ঐতিহ্যসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগ্রহী। সংস্কৃতির বিকাশে নিয়মিত পরিচর্যা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে নজরুলবর্ষ উপলক্ষ্যে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ২০২৭ সালের মে মাস পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে বিভিন্ন কর্মসূচি চলবে।
