অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং আইসিডিডিআরবির যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হামে আক্রান্ত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৬৫ শতাংশই মাঝারি থেকে তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে।
চলতি বছরের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে আসা ৩৫৪ জন শিশুর ওপর গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের নমুনায় হাম শনাক্ত হয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩০৮ শিশুর মধ্যে ১২ শতাংশ তীব্র এবং ৫৩ শতাংশ মাঝারি অপুষ্টিতে আক্রান্ত ছিল।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, ৩৮ শতাংশ শিশু নিয়মিত মায়ের বুকের দুধ পায়নি। হামে মারা যাওয়া ১১ শিশুর মধ্যে ৯ জনই শুধু বুকের দুধ খেত না। টিকাদানের ক্ষেত্রেও ঘাটতি রয়েছে—টিকা নেওয়ার বয়স হওয়ার পরও ৩৭ শতাংশ শিশু কোনো হাম টিকা পায়নি।
গবেষকেরা শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, কার্যকর টিকাদান কৌশল গ্রহণ এবং হাম নিয়ে চিকিৎসা ও রোগতাত্ত্বিক গবেষণা বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, টিকা ছাড়া হাম নিয়ন্ত্রণের কার্যকর বিকল্প নেই এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।
