August 21, 2026
image (2)

চা তোলার ভরা মৌসুমে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সিলেটের চা-বাগানগুলোর কারখানা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা দীর্ঘ সময় ট্রাফ হাউসে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে, কমছে চায়ের গুণগত মান এবং বাড়ছে উৎপাদন খরচ। বাগান কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রতিদিন ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় কারখানা সচল রাখতে ডিজেল জেনারেটর চালাতে হচ্ছে, এতে অতিরিক্ত ব্যয়ের পাশাপাশি মূল্যবান যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। চা-সংশ্লিষ্টরা জানান, পাতা তোলার পর নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় শুকানো, রোলিং, অক্সিডেশন এবং CTC প্রক্রিয়া সময়মতো সম্পন্ন করা জরুরি। বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ধাপে বিলম্ব হচ্ছে, ফলে চায়ের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পাতা ফেলে দিতে হচ্ছে। চা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাগান মালিক ও শ্রমিকসহ পুরো শিল্প বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। বাংলাদেশ চা বোর্ড ২০২৬ সালে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ ১০ হাজার কেজি। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কর্তৃপক্ষ বলছে, তীব্র গরমে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *