দেশের ব্যাংক, বিমা, ওষুধ, পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন খাতের শীর্ষ করপোরেট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘এআই মাস্টারি সামিট: লিডিং বাংলাদেশ’স এআই ফিউচার’। শুক্রবার গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সামিটে শতাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা অংশ নেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মাইএআই আয়োজিত এ সম্মেলনের পাশাপাশি ‘এআই ফ্লুয়েন্সি’ শীর্ষক একটি কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু বিশেষজ্ঞদের দক্ষতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের পেশাজীবীদের সাধারণ সক্ষমতায় পরিণত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সম্মেলনে বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞ ও করপোরেট নেতারা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকেও এগিয়ে যেতে হবে। এআই এখনও বিকাশমান পর্যায়ে থাকলেও এটি ব্যবসা, উৎপাদন, ব্যাংকিং ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনছে।
মাইএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর সহযোগী অধ্যাপক সাইফ নোমান খান বলেন, বাংলাদেশের পেশাজীবীদের এখন থেকেই এআই-প্রস্তুত হতে হবে। অন্যদিকে, মাইএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক অনুপম মল্লিক বলেন, দেশের বড় শিল্পখাতের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিরাই নির্ধারণ করবেন বাংলাদেশ কত দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণ করবে।
