July 1, 2026
image (10)

অ্যাজমায় আক্রান্তদের মনে একটি প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, কিছু কিছু খাবার তাদের সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে কি না। যদিও খাদ্যাভ্যাস অ্যাজমার কারণ নয়, তবে কিছু খাবার অ্যাজমাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, আবার কিছু খাবার ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্যও করতে পারে। সেগুলো জানা থাকলে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন অ্যাজমা একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ যা শ্বাসনালীকে প্রভাবিত করে, ফলে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যদিও খাবার সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়, কিছু নির্দিষ্ট খাবার কিছু মানুষের মধ্যে উপসর্গ বাড়িয়ে তুলতে পারে। অ্যাজমা রোগীদের সালফাইটযুক্ত খাবার যেমন শুকনো ফল, ওয়াইন এবং প্রক্রিয়াজাত আলু এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রিজারভেটিভযুক্ত মাংস যেমন হট ডগ, টিনজাত মাংস, হ্যাম, পেপারোনি স্লাইস এবং সসেজ ইত্যাদিও বাদ দিতে হবে। ব্যক্তিগত অ্যালার্জির সাথে সম্পর্কিত খাবার, যেমন দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ ইত্যাদি খাবার অর্থাৎ যেগুলো খেলে অ্যালার্জি বাড়ে, সেগুলোও এড়িয়ে চলতে হবে।

নিজের নির্দিষ্ট ট্রিগারগুলো শনাক্ত করা এবং এড়িয়ে চলা গেলে তা হাঁপানির প্রকোপ অনেকটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিউট্রিশন রিভিউস-এ প্রকাশিত ২০২০ সালের একটি পর্যালোচনা অনুসারে, গবেষকরা দেখেছেন কীভাবে খাদ্যাভ্যাস হাঁপানির ঝুঁকি এবং উপসর্গকে প্রভাবিত করে।

প্রমাণ থেকে জানা যায় যে, উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবারের ওপর নির্ভরশীল খাদ্যাভ্যাস প্রদাহ, জারণ এবং অন্ত্রের জীবাণুর উপর প্রভাব ফেলে হাঁপানি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে এবং উপসর্গের উন্নতি ঘটাতে পারে। পর্যালোচনাটিতে দেখা গেছে যে, বেশি করে ফল ও শাক-সবজি খাওয়া, প্রাণিজ পণ্য কমানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করা- এই সবই হাঁপানির সঙ্গে জড়িত রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া শান্ত করতে সাহায্য করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *