বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) ও জ্বালানি খাতসহ দেশের প্রধান শিল্পগুলোতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগের জন্য অনাবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান ডিজিটাল অবকাঠামো এবং ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রবাসীদের কারিগরি দক্ষতা ও আর্থিক বিনিয়োগ অপরিহার্য। বিশেষ করে হাই-টেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশের স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। সরকার প্রবাসীবান্ধব বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কর রেয়াত এবং ওয়ান-স্টপ সার্ভিসসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আরও সহজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সেমিনার ও বিজনেস সামিটে নীতিনির্ধারকরা প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেছেন যে, কেবল রেমিট্যান্স পাঠিয়ে নয়, বরং উদ্যোক্তা হিসেবে দেশে শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাদের এগিয়ে আসা উচিত। বিডার (BIDA) নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রবাসীরা সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণে ভূমিকা রাখলে তাদের জন্য বিশেষ নগদ প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আউটসোর্সিং ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই সমাধানে প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও মূলধন জাতীয় উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই বিনিয়োগ কেবল ব্যক্তিগত মুনাফাই নিশ্চিত করবে না, বরং মাতৃভূমিকে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
