বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ঘোষণার মাত্র একদিনের মাথায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষকে বাড়তি খরচের চাপ থেকে রেহাই দিতে আবাসিকের প্রথম দুই শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করার সুযোগ পাচ্ছেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে জানা গেছে।
আবাসিক খাতের ‘লাইফলাইন’ ও প্রথম ধাপের (০ থেকে ৭৫ ইউনিট) গ্রাহকদের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের জন্য আজ বিইআরসির কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সব কোম্পানির পক্ষ থেকে পিডিবি এই আবেদন করেছে। বিষয়টি কমিশন বিবেচনায় নিয়েছে এবং দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে গতকাল বুধবার পাইকারি ও খুচরা—দুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম যথাক্রমে ১৯ দশমিক ৮৫ এবং ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। এতে দেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়। দেশের মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এই দুই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। সিদ্ধান্ত সংশোধিত হলে লাইফলাইন গ্রাহকেরা প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং প্রথম ধাপের গ্রাহকেরা ৫ টাকা ২৬ পয়সা রেটেই বিদ্যুৎ পাবেন, যা তাঁদের জন্য বড় একটি স্বস্তির খবর।
