বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের পর দীর্ঘদিনের বঞ্চনা কাটিয়ে নতুন জীবন পেয়েছেন হাজারও মানুষ। ২০১৫ সালের আগে ছিটমহলের বাসিন্দারা নাগরিক পরিচয়, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সরকারি সেবা থেকে প্রায় বঞ্চিত ছিলেন।
কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়ার বাসিন্দারা জানান, ছিটমহল বিনিময়ের পর তাঁদের জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। পাকা সড়ক, বিদ্যুৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সুবিধা পৌঁছেছে এলাকায়। এখন তাঁরা নিজেদের পূর্ণ নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতে পারেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহলে প্রায় ৫১ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে স্থলসীমান্ত চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এসব ছিটমহলের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে। বাসিন্দাদের নিজ নিজ এলাকায় থাকা অথবা অন্য দেশে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
তবে ছিটমহল বিনিময়ের পরও কিছু সমস্যা রয়ে গিয়েছে। ভূমি ও নাগরিকত্বসংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে আরও উদ্যোগ প্রয়োজন বলে স্থানীয়দের মত।
