প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো -এর ঐতিহ্যবাহী চামড়াবাজার এবারও ঈদের রাতে ছিল ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখর। কোরবানির ঈদকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ী, আড়তদার ও মৌসুমি বিক্রেতারা চামড়া নিয়ে ভিড় জমান এই ঐতিহাসিক বাজারে। রাতভর চলে দরদাম, কেনাবেচা ও চামড়া সংরক্ষণের ব্যস্ততা। বাজারজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যদিও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এবার চামড়ার দাম কিছুটা কম ছিল।
স্থানীয়দের মতে, ব্রিটিশ আমল থেকে চালু হওয়া এই চামড়াবাজার শুধু ব্যবসার কেন্দ্র নয়, বরং এলাকার ঐতিহ্যেরও অংশ। প্রতিবছর ঈদের রাতে এখানে হাজার হাজার পশুর চামড়া বেচাকেনা হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, লবণের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং সংরক্ষণ সমস্যার কারণে অনেকেই আশানুরূপ লাভ করতে পারছেন না। তবুও ঈদের সময় এই বাজারকে ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের গতি আসে।
বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি চামড়া দ্রুত সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও কাজ করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, সঠিক মূল্য নিশ্চিত করা গেলে মৌলভীবাজারের এই শতবর্ষী চামড়াবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চামড়া বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
