July 1, 2026
image (74)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের গণতন্ত্র সুসংহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনসহ বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। বহু ত্যাগ ও আত্মদানের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে, আর এখন সেই গণতন্ত্রকে সুসংহত করার দায়িত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’— এবারের প্রতিপাদ্য সময়োপযোগী এবং ভবিষ্যতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা কারিকুলাম আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, প্রোগ্রামিং, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা বিষয়গুলো পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা সময়ের দাবি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা, নৈতিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, পরিবেশ সচেতনতা এবং উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও নেতৃত্ব দিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’-এর সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *